পৃথিবীটা ক্রমশ খেপচুরিয়াস হয়ে যাচ্ছে!
চা-ওয়ালা কে বললাম খুচরো নেই, খেই-মেই করে বললে, "ঢক ঢক করে চা গেলার সময় তো মনে ছিল না?"
বাস কন্ডাক্টার কে বললাম চেতলা এলে একটু ডেকে দিতে,বলা যায় না চোখ বুজে এলে.. বললে, "এটা কি বেডরুম না ক্যাওরাতলা যে চোখ বুজবেন?"
বস কে বললাম ছুটি চাই, মা অসুস্থ! বস বললে " চোপরাও ব্যাটা ফাঁকিবাজ, ব্লাফ-বাজ, Nincompoop"
সহকর্মী কে বললাম, 'গুড মর্নিং', সে বললে,"ধুর শালা"
পিওন বিশু'কে বললাম চট করে একটা সিগারেট এনে দিতে, বললে, ' বাপের চাকর নাকি মশায়'
অফিস ফেরত ট্রেনে সিটে বসা এক যাত্রী কে বললাম একটু সরে বসতে, বললে, "এই মাগ্গি-গন্ডার বাজারে যা চেহারা বাগিয়েছেন, তাতে কি আর আমি একটু চাপলে নিজেকে আঁটতে পারবেন এই সিটে? দাঁড়িয়ে থাকুন মশায়, সবসময় compromise expect করেই এ দেশ গোল্লায় গ্যালো"!
প্রেমিকা'কে বললাম একটা কবিতা লিখে পাঠাচ্ছি, রেজিস্টার্ড পোস্টে, বললে ,"ন্যাকা ভূত"!
বাড়ি'তে ফিরে বাবা'র ফ্রেমে বাঁধানো ছবিটার দিকে তাকিয়ে সমস্ত কিছু ভেঙ্গে-চুরে ঝাপসা হয়ে যায়! ছোটবেলার নিউমোনিয়া-মাখা গন্ধ ফিরে আসে "খুব কষ্ট হচ্ছে খোকা?Steady my son, steady!চিন্তা করিসনি, আমি তো আছি!"
Tuesday, September 15, 2009
Khepchurious
Saturday, September 12, 2009
পুজো ও বিলুদা
পুজো আসছে! এর চেয়ে আদিম, গভীর ও সপাং মার্কা কোনো Enlightenment অন্তত আমি জানি না! আর এই পুজো'istic হোম ওয়ার্ক সব চেয়ে গভীর ভাবে করতে দেখতাম আমাদের পাড়ার পুজো কমিটির ক্যাশিয়ার বিলুদা কে!
সেপ্টেম্বর পড়া মাত্তর বিলুদা কয়েকটা সোজাসাপ্টা কাজ সেরে ফেলতো:
১. পুজোবার্ষিকী সমস্ত যত পত্রিকা কেনা: ( দেশ কিনতো শো কেসে সাজিয়ে রাখতে, শুকতারা/আনন্দমেলা কিনতো পড়তে এবং আনন্দলোক কিনতো, ইয়ে মানে শুধু ছবি দেখতে বোধ হয়)
২. দু চার খানা পুজো'র গান'এর ক্যাসেট কিনতো (তখনো সি ডি ব্যাপারটা ঠিক চালু হয়নি)! গান টান শুনে প্রত্যেকবার দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলতো, "জীবনমুখী ব্লাফ'এ রগড়ে দিলে!"
৩. পুরি,সিমলা, গোয়া থেকে থাইল্যান্ড পর্যন্ত ঘুরে আসবার প্ল্যান করে ফেলতো, এবং কোনোবারই বক-খালির বেশি এগোতে পারেনি!
৪. ফতুয়া কিনতো অঞ্জলি দেওয়ার জন্যে এবং শুক্লাদী'র সাথে অষ্টমীর বিকেলে ফুচকা খেতে যাওয়ার জন্যে, গামছা কিনতো ভোগ বিতরণ'এ হল্লা-বাজি করতে, দুর্দান্ত একটা চেক শার্ট কিনতো একটা জীবন পাল্টে দেওয়া ইন্টারভিউ'এর জন্য আর প্রত্যেক বার ঠিক করতো যে পা'এর জুতো'টা একটু ঘষে-মেজে গেলেও আরও এক বছর চলে যাবে!
৫. পাড়ার থিয়েটার দল'এর লিডার নিলু'দার পিছনে ঘুর ঘুর শুরু করতো নবমীর থিয়েটারে একটা রোলের জন্যে; চাকর-সৈনিক-ডাক্তার; যে কোনো ভাবে!
৬. প্রত্যেক বিজয়া দশমী তে প্রতিজ্ঞা করতো 'সিদ্ধি খেয়ে ধুনুচি নেচে Public Spectacle নামানো এইবারই শেষ'!
শুধু এক অষ্টমীর দিন, যেদিন শুক্লাদির বিয়ের পাকা কথা হয়ে গ্যালো ডাক্তার পাত্রের সাথে, বিলুদা নতুন নীল রং'এর ফতুয়া গায়ে চাপিয়ে সোজা গিয়ে শুয়েছিল রেল লাইনে! পুরি এক্সপ্রেস ঝম ঝম রক্তে ভিজিয়ে গেছিলো বিলুদা'র নীল ফতুয়া!
Saturday, September 5, 2009
পান্ডব গোয়েন্দা: স্মৃতি ও Brief Analysis
পান্ডব গোয়েন্দা পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলা থেকে vanish হওয়া এক calamity. এবার'এর পুজোর আনন্দমেলা হাতে আসতে সেই দুঃখ আবার জেগে উঠলো! মনে পরলো পান্ডব গোয়েন্দা'র প্রত্যেক উপন্যাস'এর Essential Features:
১. বাবলু'র (Senior most পান্ডব, utility'তে অর্জুন) মর্নিং ওয়াক! ভোম্বল'এর খাওয়া (ভীম)! ম্যাদামারা বিলু (যুধিষ্ঠীর) এবং ইংরিজি তে যাকে বলে Filling Up Numbers মার্কা বাচ্চু ও বিচ্ছু (নকুল ও সহদেব বোধ হয়)!
২. যে কোনো 'পান্ডব'দের সমবয়েসী কোনো এক মেয়ের সাথে আচমকা আলাপ; রহস্যের শুরু! (মেয়েটি অবশ্যই 'বেশ' সুন্দরী এবং স্মার্ট এবং ক্ষেত্র বিশেষ'এ অবাঙালি)
৩. রহস্যে'র পাল্লায় পরে কলকাতার বাইরে যাওয়া, preferably কোনো টুরিস্ট স্পটে!
৪. Bollywood মার্কা ভিলেন! (একদম দুর্যোধন-শকুনি type)
৫. নেড়ি পঞ্চু'র ( কৃষ্ণ বোধ হয় ) hero-গিরি যেমন ভল্ট খাওয়া, ডাইভ দেওয়া ইত্যাদি!
৬. শত্তুর কে চাবকে দিয়ে Comprehensive Victory for পান্ডব দল, তবে তা বাবলু'র revolver থেকে এক পিস বুলেট খরচ হওয়ার আগে নয়!
জয় পান্ডব!
Tuesday, August 25, 2009
"নাবিক বিন্দু থেকে" প্রসঙ্গে : অরিত্র সান্যাল
Bongpen'এর সাজানো ভূমিকা এবং দুশ্চিন্তা:
কবি জাত'টাই খতরনাক! যা-তা whole Square! এইরকমই এক বিধঘুটে ঢ্যাঙ্গা কবি'র পাল্লায় আমার life প্রায় vaporise হতে চলেছে! সেই College'er First year'এর মেস-বাড়ি থেকে পাকড়াও করেছে, তবে থেকে জিন্দগী'র কলার ধরে এইসা রাম-নাচন দ্যাখাচ্ছে, বাপ রে বাপ!
মেস'এর প্রথম রাত্তির এখনো স্পষ্ট মন'এ. নতুন জায়গা, ভেজা দেয়াল, বেখাপ্পা যত ছেলে, বিড়ি-সিগারেট -পুরনো বই -পচা চানাচুর'এর গন্ধ'এ ভরা ঘর, যাকে বলে Cadaverous পরিস্থিতি! রাত তখন দুটো কি তিনটে , বহু চেষ্টায় সবে একটু ঘুম জাতীয় ব্যাপারটা যার হচ্ছে, এমন সময় খাট সুদ্ধু উত্তাল ঝাঁকুনি! ঘুম vanish, আতঙ্কে চিল্লিয়ে উঠলাম ভূমিকম্প!!!
চোখ স্পষ্ট ভাবে মেলতে দেখি এক সিঙ্গারা-fic মুখ দুলছে আমার সামনে, লাট্টু মার্কা চোখ-pyramidisque নাক-চ্যাপ্টা হাসি মুখে!
" ভূমিকম্প নয়, ভূমিকম্প নয়, কবিতা, Poetry, আমার লেখা.. একদম হাত'এ গরম, Just concieve করলুম, শুনবে?", বুঝলুম, এ কবি আমার brand new গৃহ-সঙ্গী!
মনে মনে বললাম "শালা", মুখে বললাম, "শোনাও"!
অমনি আমার পাশে গ্যাট হয়ে বসে ইস্রী-বিশ্রী কি সব শুনিয়ে গ্যালো।এক টানা ১৫ মিনিট বকে চললো,তারপর "ক্যামন দিলুম" মার্কা হাসি display করে গা এলিয়ে দিলো।ঘুমোবার তাগিদ'এ full-force'এ বললাম, " ব্যাপক, especially last line'টা তো যাকে বলে very very মোলায়েম!"
" পাঠক কে hit করবে বলছো? তুমি তো বেশ সমঝদার দেখছি হে! এই গতকাল একটা ব্লাউজ'এর হুক নিয়ে কবিতা লিখেছি, শুনবে?" কবি-আত্মা তখন charged up! সেই আমার ঘুম-চটকানি শুরু। ৪'টি বছরে স্রেফ কবিতা inject করে করে ইনসমনিয়াক করে ছেড়েছে।
মেস ছেড়ে ভাবলাম হাঁপ ছেড়ে বাঁচা গ্যালো! ছিলুমো বেশ।জমিয়ে চাকরি-বাকরি করছি, কবিতা-বাজি থেকে দুরে এসে ঘুম-টুম দেদার হচ্ছে!হজম-শক্তি improved! এমন সময় মাঝ-রাতে ঘ্যাচাং-ফু telephone. আতঙ্কে উঠে হেল্লো বললাম, ভাবলাম বস কা বুলাওয়া বুঝি! ঠিক তক্ষুনি Phone'এর অপার থেকে স্নিগ্ধ declaration, " বস নয় বস নয়, কবিতা, আমার লেখা..এক্কেবারে latest, fershly baked যাকে বলে.. হে.. হে.., এই লিখে উঠলাম, শুনবে?"
মনে মনে বললুম "শালা", মুখে বললাম, "শোনাও"!
কবি একটানা পড়ে গ্যালো ফোনে'এর ওপার থেকে।সমস্তটাই আমার চেনা! আমারি তো! কন্ঠস্বর, শব্দ, হাসি, ঘৃনা, ভালবাসা,চুলকানি, allergy; cubic millimeter ধরে চেনা সমস্তটুকু।কবি, আমার কবি'র লেখা! মেস বাড়ি এখনো কলকাতায় ভূত'এর মতো বসে, কবি সেইখান থেকে পড়ে চলেছে কবিতা।সেই আগের মতো! কবিতা পড়া শেষ করে কবি জিগ্গেস করলে, "ক্যামন?"
" ব্যাপক, especially last line টা তো যাকে বলে very very মোলায়েম!", আমি বললাম। "
***********************************************************
এই Post'টি লিখেছেন: অরিত্র সান্যাল, কবি,সাংবাদিক, আমার প্রাক্তন মেস-বন্ধু এবং বন্ধু! তার প্রথম কবিতা'র বই'এর সম্ভাব্য নাম "নাবিক বিন্দু থেকে"! সেই নিয়েই তার লেখা কিছু কথা।Bongpen'এ কেন? আমার দাবি'তে! কিসের দাবি? বই-মেলার আধ খাওয়া বেগুনি'র!
***********************************************************
Frustration এর থেকে বড় আত্মমগ্নতা হয় না। যাকে বলে self-indulgence। বা বলা ভালো আত্মমগ্নতার এলাকা। শুনতে এলাহী।
একবার একটা স্বরোচিত শব্দ ব্যবহার করে ইতস্তত পিটার অরলোভস্কি মাথা চুল্কে শরণাপন্ন হলেন বন্ধুবর গিন্সবার্গের। তখন দুই পুরুষের প্রেম-পর্যায় মধ্য গগনে। এমন বেপথু ভালোবাসার রোদে ধুলো ওড়ে বড্ডো। সবাই অর্থ খুঁজতে যায়। গিন্সবার্গ বললেন, ইতস্তত করে লাভ কি? শব্দটা হয় কি না হয় জানার থেকে সহজে বলা ভালো পিটার অরলোভস্কি লিখলেই হয়।
একে বলে অনুপ্রেরণা। শব্দের।বৃষ্টির ঝির-ঝির ও কিন্তু শব্দ। শব্দই মাত্র। কোনও অর্থ আছে কি সেভাবে? Sound কে অনবরত word করে ফেলার প্রবনতা আমাদের থাকেই। সবাই অর্থ খোঁজে।
কোনটা পূব দিক?
না যেদিকে সূর্য ওঠে।
তো সূর্য টা ভাই কোন দিকে ওঠে?
সেই তো পূব দিকেই।
এই হোলো অবস্থা।
নাবিক বিন্দু থেকে শব্দ গুচ্ছটা কেমন লাগে? শুনতে? কিছু মনে হয় কি? তিনটে শব্দই তো অর্থবহ।
বলুন দিকি দ্রিঘাংচু।
আর দেখবেন টিভি ঝিলমিলিয়ে ছাতে বসেছে কাক।
দীর্ঘ ন’পুঞ্জীভুত পদ্য জলে ঠেলে ফেলে দেওয়ার ইচ্ছে ছিলো হয়তো।
এই হয়তো বিন্দুর নাবিক। আসলে ডুবতে জানার মধ্যেই তো আছে অভিযানের চুড়ান্ত মুহুর্ত।
বা হয়ত বা নাবিকের নির্ধারিত বিন্দু থেকে দেখা।
তাতে কুয়াসা আরো বেশি। জাদুর প্রতি এক অলস গোলামী। আর এক ভাসা ভাসা জীবন।
যদি অর্থ খোঁজেন, দেখবেন এভাবে বেঁচে থাকার কোনো সত্যি কোনো মানে নেই।
আর এই মানে নেই-এর অনেক সংকলনে থাকুক নাবিক। বিন্দু। এই থেকে।
(সংযোজন: অরিত্র সান্যাল'এর কিছু লেখা : 1, 2)
Friday, August 21, 2009
ORKUT O Chomchom

অর্কুট'এর যাবতীয় প্যানপ্যানানির মধ্যে সব থেকে delicate ব্যাপারটি হলো Today's Fortune| সাংঘাতিক সাংঘাতিক সব Notification ঝোলে রোজ| কোনো দিন বলে দেদার টাকা গঙ্গা'য় যাবে, কখনো বলে সমস্ত চালাকি ধরা পরে যাবে আবার কখনো বলে Practice Patience রে ব্যাটা ফড়িং, নয়তো গোল্লায় যাবে জিন্দেগী!
আচমকা আজ দেখলুম এক "রে পাগলা" মার্কা Today's Fortune| বলে কিনা "Why don't you send a scrap today to someone you haven't spoken to in years?" Inspired হয়ে পড়লুম, বুঝলেন? বিস্তর research করলাম, করে বার করলাম School'এর এক বিচ্ছু class-mate'এর নাম! ভালো নাম ছিল অমৃতেন্দু, ডাক নাম চমচম! দারুন carrom খেলতো, আর দুর্দান্ত ছিল ক্যাকুলাসে| আমাদের গলায়-গলায় দোস্তি establish হয়েছিল এক সময় স্রেফ ফুচকা খাওয়ার foundation'এর ওপর ভিত্তি করে | শেষ কথা 6 বছর আগে|
আমার অর্কুটিও Friend List'এ সে ছিল না! Search করলাম অমৃতেন্দু গাঙ্গুলী বলে, এবং ব্যাটা'কে পেয়েও গেলাম! Immediate scrap; Phone number সহ ! আধ ঘন্টা'র মধ্যে মোবাইল'এ তরাং করে চমচম'এর হুংকার:
" কি রে শালা, বেঁচে আছিস এখনো?"
তারপর দুমাদুম কথা, এদিক ওদিক কত কি! বান্ধবী, সিগারেট, ফুটবল'এ Fracture হওয়া মালাইচাকি যাবতীয় প্রসঙ্গ ছুয়ে মোক্ষম প্রশ্ন করলাম চমচম'কে " তা তুই এখন কি করছিস? কোথায় আছিস?"
চমচম জানালে যে সে অমুক কোম্পানি তে আছে, বিহার'এর এক ছোট্ট সহরে বাস করছে ৬ মাস হলো, আছে কোম্পানি;র দেওয়া quarter'এ | স্তব্ধ হয়ে আবিষ্কার করলাম চমচম আর আমি একই কোম্পানি তে চাকরি করছি, আর গত ছমাস ধরে আমরা একই Flat'e বাস করছি| চমচম থাকে এক তলা'য়, আর আমি ঠিক ওর ওপর'এ দুই'তলার flat'টি তে আছি! গত ৬ মাস ধরে |
হে পৃথিবী!